রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাটে জ্বালানি তেলের চাহিদা অনুযায়ী গ্রাহকসেবা নিরবচ্ছিন্ন চালু রাখার নজির তৈরি করেছে মেসার্স রহমান ফিলিং স্টেশন। জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট লাঘবে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষের ঐচ্ছিক ভুমিকায় চাহিদা মিটেছে অনেকটাই। বলা চলে, গতানুগতিক হারে কিছুটা স্বস্তিও ফিরেছে চাহিদাভুগিদের মাঝে। তবে এতে বানিজ্যিক লোকসানে পড়তে হয়েছে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষের। তবুও নিরবচ্ছিন্ন গ্রাহক সেবার পারিপার্শ্বিকতায় সম্প্রতি একধাপ এগিয়েছে জ্বালানি তেল সরবরাহকারি বেসরকারি এই ফিলিং স্টেশনটি।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বর্ণনা মতে, রহমান ফিলিং স্টেশনের মালিক মিজানুর রহমান জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট লাঘবে বিত্তবৈভবের উর্ধ্বে উঠেছেন। বানিজ্যিক লোকসান গুনেও নিরবচ্ছিন্নভাবে তেল সরবরাহে সরব রয়েছেন তরুন এই ব্যবসায়ী। সংশ্লিষ্টদের দাবি, নির্ধারিত নিয়মে তেল বিতরণে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার সম্মুখীন হয়ে হিমসিম খেতে হচ্ছে তাদের। তবুও গ্রাহকের চাহিদা পূরণে প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত মূল্যে তেল সরবরাহ করছেন তারা। এতেকরে প্রাতিষ্ঠানিক লোকবল বৃদ্ধি ও অবকাঠামো উন্নয়নে লোকসান গুনছে প্রতিষ্ঠানটি। তাতে প্রশংসা বৈকি, প্রাতিষ্ঠানিক সুনাম অক্ষুন্নে তৎপরতা বাড়িয়েছে দায়িত্বরত একটি পক্ষ। উঠে পড়ে লেগেছে নিরবচ্ছিন্ন গ্রাহকসেবায় বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরিতে।এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রতিনিয়ত বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে প্রশাসনে ও জনমনে।
সরেজমিন মেসার্স রহমান ফিলিং স্টেশনে গিয়ে ট্রাক্টর, মাহিন্দ্রা ও মোটরসাইকেল চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সারা দেশে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল সংকটের কারণে চালকরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে মেসার্স রহমান ফিলিং স্টেশন গ্রাহকদের মধ্যে সুষমভাবে তেল বিতরণ নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।
স্টেশন কর্তৃপক্ষ যানবাহনগুলোকে সুশৃঙ্খলভাবে লাইনে দাঁড় করাতে বাঁশ ও দড়ি দিয়ে ঘেরা পরিবেশ তৈরি করেছে। এছাড়া একটি মোটরসাইকেল যাতে একাধিকবার তেল নিতে না পারে, সে জন্য তেল নেওয়ার পর বাইকের চাকায় রং লাগানো হয়।
বিশেষ করে তেল বিতরণে শৃঙ্খলা ফেরাতে মোহনপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ট্যাগ অফিসার নিয়োগের পাশাপাশি থানা পুলিশ দায়িত্ব পালন করেন।
তেল নিতে আসা গ্রাহকরা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা লাইনে দাঁড়িয়ে নিয়ম মেনে তেল পাচ্ছি। এতো চাপের মধ্যেও কর্তৃপক্ষ ধৈর্যের সঙ্গে সেবা দিচ্ছে, এতে আমরা সন্তুষ্ট। এভাবে নিয়ম বজায় থাকলে আমাদের দৈনন্দিন চলাচল, কৃষিকাজ ও পরিবহন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সুবিধা হবে।’
এদিকে দায়িত্বরত ট্যাগ অফিসার বিভ্রান্ত ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানান। উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম এমন মন্তব্য করেছেন।
প্রতিষ্ঠানটি মালিক মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় আমরা কম তেল পাচ্ছি'। যতটুকু পাচ্ছি, তা নিয়ম মেনে গ্রাহকদের মধ্যে বিতরণ করছি। কিছু ব্যক্তি অতিরিক্ত তেল নিতে না পেরে বাইরে গিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।’ এসময় তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, জনস্বার্থে তেল বিক্রয় কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে এসব অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এদিকে, গত শুক্রবার বিকেলে ফিলিং স্টেশনটি পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফাহিমা বিনতে আকতার। তিনি বলেন, কৃষকরা তেল পাচ্ছেনা এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আমি গিয়ে দেখি কৃষকরা তেল পাচ্ছেন। এছাড়া ‘উপজেলার সকল ফিলিং স্টেশনে ট্যাগ অফিসার নিয়োজিত রয়েছে। তারা নিয়মিত তদারকি করছেন, ফলে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই। অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে সবাইকে নিয়ম মেনে তেল নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বর্ণনা মতে, রহমান ফিলিং স্টেশনের মালিক মিজানুর রহমান জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট লাঘবে বিত্তবৈভবের উর্ধ্বে উঠেছেন। বানিজ্যিক লোকসান গুনেও নিরবচ্ছিন্নভাবে তেল সরবরাহে সরব রয়েছেন তরুন এই ব্যবসায়ী। সংশ্লিষ্টদের দাবি, নির্ধারিত নিয়মে তেল বিতরণে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার সম্মুখীন হয়ে হিমসিম খেতে হচ্ছে তাদের। তবুও গ্রাহকের চাহিদা পূরণে প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত মূল্যে তেল সরবরাহ করছেন তারা। এতেকরে প্রাতিষ্ঠানিক লোকবল বৃদ্ধি ও অবকাঠামো উন্নয়নে লোকসান গুনছে প্রতিষ্ঠানটি। তাতে প্রশংসা বৈকি, প্রাতিষ্ঠানিক সুনাম অক্ষুন্নে তৎপরতা বাড়িয়েছে দায়িত্বরত একটি পক্ষ। উঠে পড়ে লেগেছে নিরবচ্ছিন্ন গ্রাহকসেবায় বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরিতে।এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রতিনিয়ত বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে প্রশাসনে ও জনমনে।
সরেজমিন মেসার্স রহমান ফিলিং স্টেশনে গিয়ে ট্রাক্টর, মাহিন্দ্রা ও মোটরসাইকেল চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সারা দেশে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল সংকটের কারণে চালকরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে মেসার্স রহমান ফিলিং স্টেশন গ্রাহকদের মধ্যে সুষমভাবে তেল বিতরণ নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।
স্টেশন কর্তৃপক্ষ যানবাহনগুলোকে সুশৃঙ্খলভাবে লাইনে দাঁড় করাতে বাঁশ ও দড়ি দিয়ে ঘেরা পরিবেশ তৈরি করেছে। এছাড়া একটি মোটরসাইকেল যাতে একাধিকবার তেল নিতে না পারে, সে জন্য তেল নেওয়ার পর বাইকের চাকায় রং লাগানো হয়।
বিশেষ করে তেল বিতরণে শৃঙ্খলা ফেরাতে মোহনপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ট্যাগ অফিসার নিয়োগের পাশাপাশি থানা পুলিশ দায়িত্ব পালন করেন।
তেল নিতে আসা গ্রাহকরা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা লাইনে দাঁড়িয়ে নিয়ম মেনে তেল পাচ্ছি। এতো চাপের মধ্যেও কর্তৃপক্ষ ধৈর্যের সঙ্গে সেবা দিচ্ছে, এতে আমরা সন্তুষ্ট। এভাবে নিয়ম বজায় থাকলে আমাদের দৈনন্দিন চলাচল, কৃষিকাজ ও পরিবহন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সুবিধা হবে।’
এদিকে দায়িত্বরত ট্যাগ অফিসার বিভ্রান্ত ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানান। উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম এমন মন্তব্য করেছেন।
প্রতিষ্ঠানটি মালিক মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় আমরা কম তেল পাচ্ছি'। যতটুকু পাচ্ছি, তা নিয়ম মেনে গ্রাহকদের মধ্যে বিতরণ করছি। কিছু ব্যক্তি অতিরিক্ত তেল নিতে না পেরে বাইরে গিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।’ এসময় তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, জনস্বার্থে তেল বিক্রয় কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে এসব অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এদিকে, গত শুক্রবার বিকেলে ফিলিং স্টেশনটি পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফাহিমা বিনতে আকতার। তিনি বলেন, কৃষকরা তেল পাচ্ছেনা এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আমি গিয়ে দেখি কৃষকরা তেল পাচ্ছেন। এছাড়া ‘উপজেলার সকল ফিলিং স্টেশনে ট্যাগ অফিসার নিয়োজিত রয়েছে। তারা নিয়মিত তদারকি করছেন, ফলে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই। অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে সবাইকে নিয়ম মেনে তেল নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
রতন কুমার প্রামাণিক